মাছের কাঁটা গলায় বিঁধে বিপত্তি? জানুন ঘরোয়া সমাধান ।

মাছ খেতে গিয়ে গলায় কাঁটা বিঁধে যাওয়ার মতো সমস্যায় অনেকেই পড়েন। সবসময় হাতের সামনে ওষুধ থাকে এমনও নয়য। জেনে নিন ঘরোয়া সমাধান মাছ খেতে গিয়ে গলায় কাঁটা বিঁধলে খুবই সমস্যা হয় হাইলাইটস গলায় কাঁটা ঢুকলে অনেকেই বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন। হাতের সামনে মুড়ি, শুকনো ভাত যা পান খেতে শুরু করেন। ঘরোয়া কিছু টোটকায় মুক্তি পাওয়া যায় এই সমস্যা থেকে এই মাছ খেতে আমরা যেমন ভালোবাসি তেমনই মাছের কাঁটা গলায় বিঁধে সমস্যায় পড়তে হয়নি এরকম লোকজনের সংখ্যায খুবই কম।

অন্তত একবার হলেও এই সমস্যায় অনেকেই পড়েছেন। মাছের কাঁটা একবার গলায় বিঁধলে যতক্ষণ পর্যন্ত না তা বেরোয় অস্বস্তি চলতেই থাকে। এমনকী বমি পর্যন্ত হয়ে যায় অনেকের। আগেকার দিনে অনেকেই ভাবতেন এমন পরিস্থিতিতে পড়লে বিড়ালকে ডাকলেই হবে সমস্যার সমাধান। কিন্তু এই গলায় কাঁটা ফোটা হতে পারে মারাত্মক। সেখান থেকে ইনফেকশনও হয়ে যায় অনেক সময়। কাঁটা একান্ত না বেরোলে অপারেশন করতে হয়েছে, এমন ঘটনাও ঘটেছে। তবে গলায় কাঁটা ঢুকলে অনেকেই বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন।

হাতের সামনে মুড়ি, শুকনো ভাত যা পান খেতে শুরু করেন। ঘরোয়া কিছু টোটকায় মুক্তি পাওয়া যায় এই সমস্যা থেকে। কাঁটা যতক্ষণ পর্যন্ত গলায় বিঁধে থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত শরীরের ভেতর একটা কষ্ট হতে থাকে। কাঁটা ভেতরে চলে গেলেও থেকে যায় গলাব্যথা। সেই সঙ্গে দু একদিন কাশিও থেকে যায়। কিন্তু তাই বলে কি মাছ খাবেন না! কথায় বলে মাছে-ভাতে বাঙালি। আর কাঁটা বেছে খাওয়ার মধ্যেই মাছের আনন্দ। বোনলেস ইলিশে কি আর মাছের স্বাদ পাওয়া যায়! মাছ খেতে গিয়ে গলায় কাঁটা লাগলে প্রথমে যা করবেন

১.শুকনো ভাত ভালো করে দলা পাকিয়ে মুখে দিয়ে গিলে নিন। চেবাবেন না। এভাবে কয়েকবার খেলে ভাতের আঠা মাছের কাঁটাকে নীচে নামিয়ে দেয়। তবে এই ভাত কিন্তু গিলে খাবেন। চেবাবেন না।

২.পাকা কলায় ছোট করে কামড় দিন। গিলে ফেলার চেষ্টা করুন। তবে খুব বেশি করে কামড় দেবেন না। এতেও মাছের কাটা কলার সঙ্গে নীচে নেমে যেতে পারে।

৩. এককাপ ইষদুষ্ণ গরম জলে এক বড় চামচ আপেল সিডার ভিনিগার মিশিয়ে খান। আপেল সিডার ভিনিগারের মধ্যে থাকা অ্যাসিটিক অ্যাসিড কাঁটা গলিয়ে দেয়। খুব সমস্যা হলে আপেল সিডার ভিনিগার শুধু একচামচ খেয়ে নিলেও কাজ হয়। ভিনিগার কাঁটাকে গলিয়ে নরম করে দেয়।

৪.জল খান। অল্প অল্প করে বেশ কয়েকবার জল খেতে হবে। প্রয়োজনে ইষদুষ্ণ গরম জলও খেতে পারেন। এতে কাঁটার নীচের দিকে নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

৫.পাতি লেবুতে একটু নুন মাখিয়ে নিন। এবার চুষে চুষে লেবুর রস খান। লেবুর রস জল মিশিয়ে খাবেন না। এভাবে খেতে পারলে উপকার পাবেন। লেবুতে থাকা সাইট্রিক অ্যাসিড কাঁটাকে গলিয়ে হজম করিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।

৬. কাঁটা নরম করতে খুবই কার্যকর হল নুন। এককাপ গরম জলে এক চামচ নুন মিশিয়ে নিন। বার তিনেক খেলে কাঁটা নরম হয়ে গলা থেকে নেমে যাবে। প্রয়োজনে নুন জলে গার্গলও করতে পারেন।

৭. বাড়িতে থাকা পাঁউরুটিতেও অনেক সময় কাজ হয়। পাঁউরুটি চিবিয়ে না খেয়ে গিলে ফেলুন। কিংবা পাঁউরুটি চটকে নিয়ে মন্ডও করতে পারেন। এরপর ওই মন্ড একবারে গিলে নিলেও ফল পাবেন।

error: Content is protected !!